Showing posts with label পদার্থ বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label পদার্থ বিজ্ঞান. Show all posts

Saturday, January 25, 2025

ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি)

ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি)



ইন্টারনেট অফ থিংস-কে সংক্ষেপে আইওটি বলে, যার বাংলা অর্থ হল বিভিন্ন জিনিসপত্রের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ।

বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জ‍ন‍্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় কাপড় ধোয়ার মেশিন। কাপড়ের পরিমাণ এবং ওজন বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ব্যবহার করে পর্যবেক্ষণ করে কাপড় ধোয়ার কাজটি অটোমেটিক ভাবে করার জন‍্য এই মেশিনের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে

আপনি একজন শৌখিন মানুষ। বারান্দায় ফুলের গাছ লাগানো, নিজের উঠোনে সবজি চাষ করার আপনার খুব শখ। কিন্ত ব্যস্ততার জন্য এইসব কিছুই হয়না! যত্ন করবে কে? তাহলে কি আপনার শখের জিনিসগুলো আর হবে না? নিশ্চই হবে! আপনার জন্য আছে আটো ইরিগেশন সিস্টেম যেখানে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, সফটওয়ার এরাই বুঝবে কখন আপনার শখের ফুল গাছের পানি দরকার, কখন দরকার সার। কি মজার না ব্যাপারগুলো! আই ও টি কে ব্যবহার করে এরকম আরো অনেক মজার মজার কাজ করা যায়।

আইওটি- কে কখনো আইওই (ইন্টারনেট অফ এভরিথিং)ও বলা হয়।

আইওটি ব্যবস্হা আসলে এমন কিছু ওয়েব-এনএবলেড ডিভাইস এর সমন্বয়ে গঠিত যারা এমবেডেড সেন্সর,প্রসেসর ও কমিউনিকেশন হার্ডওয়ার ব্যবহার করে আশপাশ থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে পাঠায়। মানুষ চাইলে নিজের পছন্দ ও সুবিধামতো তাতে ডাটা এন্ট্রি করতে পারে সেট আপ দিতে পারে। যেমনঃ আপনি কোথাও ১০ দিনের জন্য বেড়াতে গেলেন । কিন্তু আপনার ছাদ  ও বারান্দার গাছগুলোকে পানি দিবে কে ? এই সমস্যা দূর করছে আইওটি ব্যবস্হা । আপনি আপনার মোবাইলে বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে পানি দেওয়ার কাজ করবেন অনেক দূর হতে বাড়িতে না এসেই । এজন্য প্রয়োজন হবে কিছু আইওটি ডিভাইস, পানির পাইপ ও পানির সংযোগ । আর মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ ও বিশেষ অ্যাপও প্রয়োজন হবে । এভাবে আমাদের বাস্তব জীবনের অনেক ছোট ও বড় কাজ আইওটি ব্যবস্হা ও ডিভাইসের মাধ্যমে করা সম্ভব ।

 

ফাইভ জি প্রযুক্তি ২০২৫ সালে বাংলাদেশে

ফাইভ জি প্রযুক্তি ২০২৫ সালে বাংলাদেশে



ফাইভ-জি হলো মোবাইল ফোনের পঞ্চম জেনারেশনের ইন্টারনেট। একে সংক্ষেপে ফাইভ-জি বলা হয়। এর মাধ্যমে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট তথ্য ডাউনলোড ও আপলোড করা যায়। এর সেবার আওতাও অনেক। 

বর্তমানে স্মার্টফোন দিয়ে আমরা যাই করি না কেন, ফাইভ-জি হলে তা আরো দ্রুত গতিতে এবং ভালোভাবে করা সম্ভব হবে।

ফাইভ-জি আসলে বেশি সুবিধা হবে মোবাইল গেমারদের। ভিডিও কল আরো পরিষ্কার হবে। শরীরে লাগানো ফিটনেস ডিভাইসগুলো নিখুঁত সময়ে সংকেত দিতে পারবে। ফলে জরুরি চিকিৎসা সেবাতেও আমূল পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

ফোর-জি ও ফাইভ-জির মধ্যে পার্থক্য

ফাইভ-জি একেবারে নতুন একটি রেডিও প্রযুক্তি। তবে প্রথমেই হয়তো দ্রুত গতির বিষয়টি নজরে আসবে না। কারণ, নেটওয়ার্ক অপারেটররা বর্তমান ফোর-জি নেটওয়ার্ককে ফাইভ-জিতে বাড়িয়ে গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা দিতে চাইবে। তবে দ্রুত গতির বিষয়টি নির্ভর করবে কোন স্পেকট্রাম ব্যান্ডে ফাইভ-জি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং মোবাইল কোম্পানিগুলো মাস্ট এবং ট্রান্সমিটারের পেছনে কতটা বিনিয়োগ করছে।

 

ফাইভ-জি প্রটোকলের মান এখনো নির্ধারিত হয়নি। ৩.৫ গিগাহার্জের থেকে ২৬ গিগাহার্জের মতো হাইয়ার ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু স্বল্প তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কারণে তাদের আওতা থাকে কম।

বর্তমানের ফোর-জি প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক গড়ে সর্বোচ্চ ৪৫ এমবিপিএস গতি সুবিধা দিতে পারে। 

এ বিষয়ে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম বলছে, ফোর-জির তুলনায় ফাইভ-জি ১০ থেকে ২০ গুণ গতি দিতে পারে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একটি ভালো মানের চলচ্চিত্র হয়তো মাত্র এক মিনিটেই ডাউনলোড করা যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় এরই মধ্যে চালু হয়েছে পঞ্চম প্রজন্মের মুঠোফোন নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৩ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ কোটি ফাইভ-জি গ্রাহক তৈরি হবে।